বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

বিসিএস পরীক্ষার প্রথম চ্যালেঞ্জ হলো প্রিলিমিনারি পরীক্ষা। আসলে এটি শুধু প্রথম চ্যালেঞ্জ না, সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জও। কারণ এই প্রথম ধাপেই সবথেকে বেশি প্রার্থী বাদ যায়। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার খুটিনাটিসহ প্রত্যেকটি বিষয়কে ধরে ধরে পড়তে পারলে প্রস্তুতি সহজ হয়ে যাবে। প্রিলিমিনারি পরীক্ষার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো, আপনাকে কম সময়ের মধ্যে প্রচুর তথ্য মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু আপনি যদি একটু টেকনিক অবলম্বন করে, সঠিক পরিকল্পনা করে পড়াশুনা করেন, তাহলে খুব অল্প সময়েই ভাল মার্ক পাওয়া সম্ভব। নিজেকে বার বার মোটিভেট করা একই কাজের জন্য আসলেই খুব শক্ত একটি কাজ। কিন্তু কিছুই করার নেই, কঠিন পথ পাড়ি দিতে গেলে কঠিন কিছু করতে হবে, এটাই স্বাভাবিক। কথাগুলো খুব গতানুগতিক মনে হলেও বাস্তবতা এটাই।

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস

1.বাংলা ভাষা ও সাহিত্য:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য অংশে ভাষা ও সাহিত্য দুই অংশ থেকে প্রশ্ন আসে। ভাষা থেকে ১৫ নম্বর এবং সাহিত্য থেকে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। ভাষা অংশে প্রশ্ন আসবে প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, বানান ও বাক্য শুদ্ধি, পরিভাষা, সমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ, ধ্বনি, বর্ণ, শব্দ, পদ, বাক্য, প্রত্যয়, সন্ধি ও সমাস থেকে। সাহিত্য অংশে প্রাচীন ও মধ্যযুগ থেকে ৫ নম্বর এবং আধুনিক যুগ (১৮০০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত) থেকে ১৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে।

2.English Language and Literature:
ইংরেজি অংশে গ্রামার থেকে ২০ নম্বর এবং সাহিত্য থেকে ১৫ নম্বরের প্রশ্ন করা হবে। ব্যাকরণ অংশের জন্য Parts of Speech, Noun, Determiner, Gender, Number, Pronoun, Verb, Adjective, Adverb, Preposition, Conjunction, Idioms & Phrases, Clauses, Corrections, Tense, Preposition, Subject-Verb Agreement, Sentences & Transformations, Voice, Degree, Synonyms, Antonyms, prefixes and suffixes, paragraph, letters, applications থেকে প্রশ্ন করা হবে। লিটারেচার বা সাহিত্য অংশের জন্য Names of writers of literary pieces from Elizabethan period to The 21st Century এবং Quotations from drama/ poetry of different ages বিষয়গুলো দেখতে হবে।

3.বাংলাদেশ বিষয়াবলী:
এ অংশে বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী যেমন: প্রাচীনকাল হতে সম-সাময়িক কালের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি; বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাস: ভাষা আন্দোলন; ১৯৫৪ সালের নির্বাচন; ছয়-দফা আন্দোলন, ১৯৬৬; গণ অভুত্থান ১৯৬৮-৬৯; ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন; অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১; ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ; স্বাধীনতা ঘোষণা; মুজিবনগর সরকারের গঠন ও কার্যাবলী; মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল; মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূমিকা; পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয় থেকে প্রশ্ন করা হবে। আরো প্রশ্ন আসবে বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ: শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি, বাংলাদেশের অর্থনীতি: উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত ও পঞ্চবার্ষিকী, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজস্ব নীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন, বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য: শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা, বাংলাদেশের সংবিধান: প্রস্তাবনা ও বৈশিষ্ট্য, মৌলিক অধিকারসহ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ, সংবিধানের সংশোধনীসমূহ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা: রাজনৈতিক দলসমূহের গঠন, ভূমিকা ও কার্যক্রম, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের পারস্পরিক সম্পর্কাদি, সুশীল সমাজ ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ এবং এদের ভূমিকা, বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা: আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার, বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি থেকে।

4.আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী:
আন্তর্জাতিক অংশে ২০ নম্বরের জন্য বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি; আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক; বিশ্বের সাম্প্রতিক ও চলমান ঘটনাপ্রবাহ; আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি; আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানাদি থেকে প্রশ্ন থাকবে।

5.ভূগোল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
বাংলাদেশ ও অঞ্চলভিত্তিক ভৌগোলিক অবস্থান, সীমানা, পারিবেশিক, আর্থ-সামাজিক ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব; অঞ্চলভিত্তিক ভৌত পরিবেশ (ভূ-প্রাকৃতিক), সম্পদের বণ্টন ও গুরুত্ব; বাংলাদেশের পরিবেশ ও প্রকৃতি ও সম্পদ, প্রধান চ্যালেঞ্জসমূহ; বাংলাদেশ ও বৈশ্বিক পরিবেশ পরিবর্তন: আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ামকসমূহের সেক্টরভিত্তিক (যেমন অভিবাসন, কৃষি, শিল্প, মৎস্য ইত্যাদি) স্থানীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব; প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা: দুর্যোগের ধরন, প্রকৃতি ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশ্ন করা হবে।

6.সাধারণ বিজ্ঞান:
ভৌত বিজ্ঞান, জীব বিজ্ঞান ও আধুনিক বিজ্ঞানের প্রত্যেক অংশ থেকে ৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে। সাধারণ বিজ্ঞানের প্রশ্নগুলো দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিজ্ঞানের অভিজ্ঞতার আলোকে অর্জিত সাধারণ উপলব্ধি থেকে করা হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থীকে বিশেষভাবে বিজ্ঞানের উপর পড়াশোনা করা থাকলেও চলবে। প্রশ্নের সেট এমনভাবে করা হবে যাতে দেশে ও বিদেশে আধুনিক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার ও বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের অবদান সম্পর্কযুক্ত থাকে।

ভৌত বিজ্ঞানে প্রশ্ন আসবে পদার্থের অবস্থা, এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, ভৌত রাশি এবং এর পরিমাপ, ভৌত বিজ্ঞানের উন্নয়ন, চৌম্বকত্ব, তরঙ্গ এবং শব্দ, তাপ ও তাপগতি বিদ্যা, আলোর প্রকৃতি, স্থির এবং চল তড়িৎ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস এবং এর প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর, আলোক যন্ত্রপাতি, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, তড়িৎ চৌম্বক, ট্রান্সফরমার, এক্সরে, তেজস্ক্রিয়তা ইত্যাদি বিষয় থেকে।

জীব বিজ্ঞান অংশে পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, হৃদৃপিণ্ড এবং হৃদরোগ, স্নায়ু এবং স্নায়ুরোগ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন, মাইক্রোবায়োলজি, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে।

আধুনিক বিজ্ঞানে পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, বারিমণ্ডল, টাইড, বায়ুমণ্ডল, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, মানবদেহ, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, ইব্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, জোয়ার-ভাটা, এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা ইত্যাদি থেকে প্রশ্ন করা হবে।

7.কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি:
কম্পিউটার থেকে ১০ নম্বর এবং তথ্যপ্রযুক্তি থেকে ৫ নম্বরসহ মোট ১৫ নম্বরের প্রশ্ন আসবে। কম্পিউটার অংশে কম্পিউটার পেরিফেরালস: কি-বোর্ড, মাউস, ওসিআর; কম্পিউটারের অঙ্গসংগঠন: সিপিইউ, হার্ডডিস্ক, এএলইউ; কম্পিউটারের পারঙ্গমতা; দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা; কম্পিউটারের নম্বর ব্যবস্থা; অপারেটিং সিস্টেমস; এমবেডেড কম্পিউটার; কম্পিউটারের ইতিহাস; কম্পিউটারের প্রকারভেদ; কম্পিউটার প্রোগ্রাম: ভাইরাস, ফায়ারওয়াল এবং ডেটাবেইস সিস্টেম থেকে প্রশ্ন করা হবে।

তথ্যপ্রযুক্তিতে ই-কমার্স; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স; কম্পিউটার নেটওয়ার্ক: ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স; দৈনন্দিন জীবনে তথ্যপ্রযুক্তি; স্মার্টফোন; ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব; ইন্টারনেট; নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স; ক্লায়েন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট; মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম; ক্লাউড কম্পিউটিং; সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম; রোবটিক্স; সাইবার অপরাধ বিষয়ে প্রশ্ন থাকবে।

8.গাণিতিক যুক্তি:
বাস্তব সংখ্যা, ল.সা.গু, গ.সা.গু, শতকরা, সরল ও যৌগিক মুনাফা, অনুপাত ও সমানুপাত, লাভ ও ক্ষতি, বীজগাণিতিক সূত্রাবলী, বহুপদী উৎপাদক, সরল ও দ্বিপদী সমীকরণ, সরল ও দ্বিপদী অসমতা, সরল সহসমীকরণ; সূচক ও লগারিদম, সমান্তর ও গুণোত্তর অনুক্রম ও ধারা, রেখা, কোণ, ত্রিভুজ ও চতুর্ভুজ সংক্রান্ত উপপাদ্য, পিথাগোরাসের উপপাদ্য, বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য, পরিমিতি- সরল ক্ষেত্র ও ঘনবস্তু, সেট, বিন্যাস ও সমাবেশ, পরিসংখ্যান ও সম্ভাব্যতা থেকে প্রশ্ন থাকবে।

9.মানসিক দক্ষতা:
মানসিক দক্ষতা অংশে ভাষাগত যৌক্তিক বিচার, সমস্যা সমাধান, বানান ও ভাষা, যান্ত্রিক দক্ষতা, স্থানাঙ্ক সম্পর্ক, সংখ্যাগত ক্ষমতা থেকে প্রশ্ন করা হবে।

10.নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন:
নৈতিকতা, মূল্যবোধ ও সু-শাসন অংশে এদের ব্যাখ্যা, পারস্পরিক সম্পর্ক, জাতীয় উন্নয়নে মূল্যবোধের শিক্ষা ও সুশাসনের প্রভাব বিষয়গুলো পড়তে হবে।

প্রস্তুতি শুরু করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-
১।প্রথমে BPSC’র ওয়েবসাইট থেকে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার বিস্তারিত সিলেবাসটি ডাউনলোড করে ফেলুন এবং ভালোভাবে বুঝার চেষ্টা করুন।
২।কোন বই থেকে কোন অংশটুকু শিখবেন সিলেবাস দেখে দেখে সেটা মার্ক করে ফেলুন। তারপর বইগুলোর একটা লিস্ট তৈরি করে ফেলুন।
৩।এবার একটি কাগজে ঐ বইগুলোর পৃষ্ঠা নম্বর সহ লিখে ফেলুন।প্রিলি পরীক্ষার জন্য বিস্তারিত নোট করার প্রয়োজন নেই।এতে অনেক সময় নষ্ট হবে।
৪।এরপর বিগত বছরের প্রশ্নগুলো ভালমতো দেখে নিতে হবে। এতে প্রশ্নের ধরণ সম্পর্কে আপনার ভাল একটি ধারণা তৈরি হয়ে যাবে।
৫।বিগত বছরের প্রশ্নগুলো লক্ষ্য করলে দেখবেন- কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও কমন টপিক থেকে নিয়মিত এসে থাকে। এবার টপিকের গুরুত্ব অনুসারে পুরো সিলেবাসটিকে তিন চারটি ভাগে ভাগ করে ফেলুন।
৬। প্রথমেই গুরুত্বপূর্ণ ও কমন টপিকগুলো দিয়ে শুরু করবেন। এই টপিকগুলো ভালমত শেষ হলে দ্বিতীয়ভাগের টপিকগুলো পড়া শুরু করবেন। এভাবে ধাপে ধাপে পড়তে হবে।
৭।হালকাভাবে কোন অনেক টপিক শিখবেন না। কারণ এতে পরীক্ষার হলে গিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়তে হয়। তাই যেটুকু শিখবেন কিন্তু বিস্তারিত ও ভালমতো শিখবেন।
৮।পড়াশুনা নিয়ে মাথায় চাপ নেবেন না। আপনাকে যেসব বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হবে তার বেশিরভাগই আপনি স্কুল কলেজ লেভেলে শিখে এসেছেন। এবার শুধু ঝালাই করে নিতে হবে।
৯।প্রতিটি টপিকের উপর দক্ষতা অর্জনের জন্য বারবার পড়ুন। এই পরিশ্রমটাই আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
১০।বেশি বেশি লেখার অভ্যাস করুন।এতে মনে রাখতে সুবিধা হবে।
১১।নিয়মিত পড়ালেখার অভ্যাস গড়ে তুলুন। প্রতিদিন কতটুকু সময় কোন বিষয় পড়বেন তা রুটিন আকারে লিখে রাখুন।

বিসিএস প্রিলিমিনারি সিলেবাস,বিসিএস প্রিলিমিনারি বই,বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রশ্ন ব্যাংক,বিসিএস প্রিলিমিনারি সিলেবাস pdf download,বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট,বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সিলেবাস,বিসিএস প্রিলিমিনারি ইংরেজি সিলেবাস,
বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রশ্ন ব্যাংক pdf,বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতি,বিসিএস প্রিলিমিনারি কি,বিসিএস প্রিলিমিনারি সিলেবাস pdf,
বিসিএস প্রিলিমিনারি বই pdf,বিসিএস প্রিলিমিনারি এনালাইসিস pdf,বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট pdf,অ্যাসিওরেন্স বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট pdf,প্রফেসর’স বিসিএস প্রিলিমিনারি ডাইজেস্ট pdf,kfplanet.com,

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *