Skip to content

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট উপবৃত্তি অনলাইন আবেদন ২০২২

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট উপবৃত্তি অনলাইন আবেদন ২০২২ঃ নতুন বছর ২০২২ অর্থ বছরে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক বৃত্তি প্রদানের বিজ্ঞপ্তি মন্ত্রালয়ের ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। আমাদের মূল আলোচানার বিষয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট উপবৃত্তি অনলাইন আবেদন ২০২২। শিক্ষা মানুষের একটি মৌলিক চাহিদা কেউ যেন মৌলিক চাহিদা থেকে বাদ যেতে না পারে সেজন্য সরকার বদ্ধ পরিকর।দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন অর্থাভাবে ঝড়ে না পড়ে সেই লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যাগে একটি ট্রাস্ট গঠন করা হয়। এই জন্য প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট নামে এটি পরিচিত। ২০১২ সালে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট বর্তমান প্রধান মন্ত্রী গঠন করে। একটি বিজ্ঞপ্তি জানানো হয় , ২০১৭-১৮, ২০১৮-১৯, ও ২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ও আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত স্নাতক বর্ষের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। উপরোক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

    শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট উপবৃত্তি কিছু তথ্য

    উপবৃত্তির নামঃ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট
    প্রদান করা হবেঃ স্নাতক প্রর্যায়ে শিক্ষার্থীদের,
    আবেদনের মাধ্যমঃ অনলাইনে আবেদন করতে হবে ।
    আবেদন শুরুঃ  ০৬/০৩/২০২২
    আবেদন শেষঃ ১৭/৪/২০২২
    আবেদনের লিংকঃ estipend.pmeat.gov.bd
    যোগাযোগ নাম্বারঃ ০২৮১৯২২০০

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট উপবৃত্তি অনলাইন আবেদন ২০২২

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে সাহায্য পাওয়ার শর্ত

    • ষষ্ঠ থেকে স্নাতক (পাস) ও সমমান শ্রেণি পর্যন্ত যেকোন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী এ সুবিধা নিতে পারবে। তবে তার জন্য শিক্ষার্থীকে অবশ্যই শ্রেণিকক্ষে কমপক্ষে ৭৫% উপস্থিত থাকতে হবে। উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় মোট এক লক্ষ টাকার কম হতে হবে।
    • সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী অভিভাবকের মোট জমির পরিমাণ পাঁচ শতাংশের কম থাকতে হবে। তবে সিটি কর্পোরেশন এলাকার বাইরে বসবাসকারী অভিভাবকের মোট জমির পরিমাণ পঁচাত্তর শতাংশের কম থাকতে হবে।

    অন্যান্য শর্তাবলী:

    • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, এতিম, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান, নদীভাঙ্গন কবলিত পরিবারের সন্তান এবং দুস্থ পরিবারের সন্তানগণ উপবৃত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
    • প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এর আওতায় উপবৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী এর এইচ.এস.সি/সমমান পরীক্ষার মূল মার্কশিট স্নাতক (পাস)/সমমান পর্যায়ের চূড়ান্ত পরীক্ষার সমাপ্তি পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিসে জমা রাখতে হবে।
    • সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভর্তি রেজিস্ট্রার, টটলিষ্ট, শ্রেণি হাজিরা খাতা, বার্ষিক ও নির্বাচনী পরীক্ষার খাতা এবং ফলাফল বিবরণী/রেজিস্ট্রার ভর্তি ও পরীক্ষার তারিখ থেকে ন্যূনতম ২ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।
    • উপবৃত্তিপ্রাপ্ত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে কোনরূপ টিউশন ফি গ্রহণ করা যাবে না। প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে উপবৃত্তিপ্রাপ্ত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীর টিউশন ফি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্ব-স্ব ব্যাংক হিসাবে প্রেরণ করা হবে।
    • প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের নির্দেশনা অনুযায়ী উপবৃত্তির জন্য “শিক্ষার্থী নির্বাচনী কমিটি” গঠন করতে হবে। উক্ত শিক্ষার্থী নির্বাচনী কমিটি ট্রাস্ট এর নির্ধারিত শর্ত মোতাবেক শিক্ষার্থী নির্বাচন করে নির্বাচিত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নাম/শ্রেণি রোল নম্বর উল্লেখপূর্বক একটি রেজুলেশন প্রস্তুত করবেন এবং তা সংরক্ষণ করবেন।

    আবেদনের নিয়ম
    শিক্ষা সহায়ত পাওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধন করতে হবে। অথবা মোবাইলে গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করা e-Stipend Management System অ্যাপ দিয়েও আবেদন করা যাবে। এক্ষেত্রে নিবন্ধন করতে কোন সমস্যা হলে হেল্প ডেস্কে প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো দিতে হবে।

    Leave a Reply

    Your email address will not be published.